টুকরো চিন্তা

টুকরো টুকরো কথোপকথন

-তারপরে, যদি আলো নিভে যায়?
-অসুবিধে নেই। অন্ধকার আমার ভালোই লাগে।
-সারাজীবন অন্ধকারেই কাটাবে?
-তা হবে কেন? আলো জালাতে কেউ আসবেই।
আমি অন্ধকারে বসে তার অপেক্ষা করব!

-কে দিল এই নিশ্চয়তা?
-কেউ দেয়নি। আমি জানি।
-কিভাবে?
-এর আগে কতবার আলো নিভে গেছে, কতবার আঁধারে হয়েছে আলোর ক্ষয়, কিন্তু ভোর আসতে দেরি হয়নি একটুও!
-খুব কাব্য হচ্ছে, তাই না?
-করার ভেতর তো কাব্যই করি একটু! তাতেও সমস্যা?
-কাব্য কি ভাত দেবে?
-প্রাচীনকালে রাজা বাদশারা সভাকবি রাখতেন। সে সময় তো কাব্যই তাদের ভাত জোগাত।
-এখন আর সেই দিন নেই।
-গত জন্মে আমি কোন এক রাজার সভাকবি ছিলাম, জানো?
-এ জন্মে তবে কবির এই দুর্দশা কেন?
-কাকের চেয়ে যদি কবির সংখ্যা বেশি হয় তবে কিভাবে হবে? এখন বরং কাক হওয়াই ভাল। ভাতের চিন্তা করা লাগবে না। ঢাকা শহরে ডাস্টবিনের অভাব নেই।
-ছিঃ! ঘেন্না করবে না তোমার?
-যে শহরে তুমি আছো বালিকা, সে শহরে ঘেন্না বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব থাকতে পারে না। সে শহরে ডাস্টবিনগুলোও ভালবাসা দিয়ে তৈরী।

 

আরও পড়ুনঃ

ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ফেসবুক

মুক্তিপিপাসা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *