ছোট গল্প ভৌতিক

হৃৎপিণ্ড – দ্বিতীয় খণ্ড

 

প্রথম খণ্ড পড়তে ক্লিক করুন এখানে

প্রাথমিক শুনানির পর অভিযোগ আনা হলো আমার বিরুদ্ধে। খাঁটি গুণ্ডার মতোই পোড় খাওয়া শরীর কারবির, দ্রুতই সেরে উঠল সে। চেহারা নিয়ে খুবই গর্ব ছিল তার, যদিও তেমন কোনো কারণ কখনও দেখিনি। শুনলাম, প্রতিশোধ নেয়ার জন্য মুখিয়ে আছে ব্যাটা।

আর জ্যাক কারবি যখন সেরে উঠছে, সেই একই সময়ে গারফিল্ড বুড়োও সবাইকে অবাক করে দিয়ে সুস্থ হয়ে উঠল। বিশেষ করে ডক ব্লেইনের চোখ কপালে উঠল তাকে দেখে।

ডক ব্লেইনের সাথে যে রাতে আবারও জিম গারফিল্ডের ফার্মহাউসে গেলাম তার কথা আমার আজীবন মনে থাকবে। শিফটি কর্লানের দোকানে বসে আকণ্ঠ বিয়ার নামের কর্লানের বানানো অখাদ্য তরলটা গিলছিলাম, এই সময় ডক ব্লেইন এসে ডাক দিল।

পুরনো রাস্তা ধরে ডাক্তারের গাড়িতে করে যেতে যেতে শুধোলাম, ‘আজ আমাকে সাথে নিয়ে যাওয়ার জন্য তোমার এত ঝোঁক উঠল কেন?’

‘কারণ আছে,’ বলল ডক। ‘সেটা হলো, লস্ট নবে ফিরে এসেছে জ্যাক কারবি। সে নাকি কসম খেয়েছে, দেখামাত্র গুলি করবে তোমাকে।’

‘আচ্ছা!’ ক্ষেপে উঠলাম আমি। ‘এখন সবাই ভাববে যে ওর ভয়তে পালিয়েছি আমি শহর ছেড়ে। গাড়ি ঘোরাও, ফিরিয়ে নিয়ে চলো আমাকে!’

‘মাথা ঠান্ডা করো,’ বলল ডক। ‘তুমি যে কারবিকে ভয় পাও না সেটা সবাই জেনে গেছে। এখন কেউ ওকে পাত্তা দিচ্ছে না। আর এ জন্যই তোমার উপর এত ক্ষেপে আছে সে। কয়েক দিন পরেই তোমাকে আদালতে যেতে হবে। এখন নতুন করে ঝামেলায় জড়িও না।’

হেসে উঠলাম আমি। বললাম, ‘কারবি চাইলে সহজেই খুঁজে বের করতে পারবে আমি কোথায় আছি, কারণ শিফটি কর্লানের সামনে তুমি বলেছ আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছ। গত বছর আমার কাছ থেকে ঘোড়া কিনতে এসে ফতুর হয়ে গিয়েছিল শিফটি। তারপর থেকে আমাকে দেখতে পারে না। কারবিকে ঠিক বলে দেবে আমি কোথায় আছি।’

‘এটা আমি ভেবে দেখিনি,’ চিন্তিত গলায় বলল ডক।

‘আচ্ছা, বাদ দাও,’ বললাম আমি। ‘কারবির শুধু বড় বড় বুলি ঝাড়ার ক্ষমতাই আছে।’

কিন্তু ভুল হয়েছিল আমার। লেজে পাড়া পড়লে ঢোঁড়া সাপও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে।

 

আমরা যখন পৌছালাম, গারফিল্ড তখনও ঘুমাতে যায়নি। ঘরের সামনের পোড়ো বারান্দাটায় বসে ল্যাম্পের নিভু নিভু আলোতে একটা খবরের কাগজ পড়ার চেষ্টা করছিল। ঘরের সব কয়টা জানালা আর দরজা খোলা। আগুনের শিখাটা ঘিরে উড়ে বেড়াচ্ছে একগাদা পোকামাকড়, তবে তাতে বুড়োর কোনো ভ্রুক্ষেপ আছে বলে মনে হলো না।

বসে বসে আবহাওয়া নিয়ে কিছুক্ষণ আলোচনা করলাম আমরা। কিছুক্ষণ পর অন্য দিকে ঘুরে গেল কথার মোড়। ডক ব্লেইন উসখুস করছিল কিছুক্ষণ ধরে, শেষ পর্যন্ত নিজেকে সামলাতে না পেরে বলেই ফেলল কথাটা।

‘জিম,’ বলল সে। ‘সে দিন রাতে তোমার হৃৎপিণ্ড নিয়ে কি সব বলছিলে তুমি, মনে আছে? এক ইন্ডিয়ান নাকি ওটা ধার দিয়েছে তোমাকে? কথাগুলোর কতখানি সত্যি?’

‘সবটুকু, ডক,’ পাইপে লম্বা একটা টান দিয়ে বলল গারফিল্ড। ‘একেবারে নিখাদ সত্যি। লিপান নেতা গোস্ট ম্যান আমার বুক থেকে বের করে এনেছিল দু’টুকরো হয়ে যাওয়া হৃৎপিণ্ডটা, আর তার বদলে নতুন একটা উপহার দিয়েছিল আমাকে। নতুন হৃৎপিণ্ডটা আসলে কিসের বা কার তা আমি কখনও সঠিক জানতে পারিনি। তবে গোস্ট ম্যান বলেছিল যে ওটা এক দেবতার, আর সে হৃৎপিণ্ড ছাড়াও বেঁচে থাকতে পারে। কিন্তু যদি আমি মারা যাই – মানে, ধরো যদি কখনো আমার মাথা এমনভাবে গুড়িয়ে যায় যে চেতনা ফিরে পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই – তখন এই হৃৎপিণ্ড আবার ফিরিয়ে দিতে হবে গোস্ট ম্যানকে।’

‘তুমি বলতে চাও, সত্যিই তোমার বুক চিরে বের করে আনতে হবে তোমার হৃৎপিণ্ড?’ বিস্মিত গলায় জানতে চাইল ডক ব্লেইন।

‘হ্যাঁ,’ বলল গারফিল্ড বুড়ো। ‘মৃত শরীরে কখনও কোনো জীবিত বস্তু থাকতে পারে না, সেটা প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে। গোস্ট ম্যান আমাকে তাই বলেছিল।’

‘এই গোস্ট ম্যানই বা কে?’

‘আগেই বলেছি তোমাকে। লিপান ইন্ডিয়ানদের নেতা, তাদের ওঝাও বলতে পারো। কোমাঞ্চিরা এই অঞ্চলে আসার আগে ওরাই ছিল এখানকার বাসিন্দা। আমি ছিলাম ওদের বন্ধু। খুব সম্ভবত গোস্ট ম্যানই লিপান ইন্ডিয়ানদের একমাত্র জীবিত সদস্য।’

‘জীবিত? এখনও?’

‘আমি সঠিক জানি না,’ স্বীকার করল জিম। ‘বেঁচে থাকতে পারে, মারাও যেতে পারে। লোকাস্ট ক্রিকের সেই যুদ্ধের পর যখন আমার কাছে এসেছিল তখন সে জীবিত ছিল না মৃত – তাও আমার জানা নেই। এমনকি এটাও নিশ্চিত নই যে তার আগে যখন তাকে চিনতাম সে সময় সে জীবিত ছিল কিনা।’

‘কি সব আবোলতাবোল বকছ!’ অস্বস্তিভরা গলায় বলে উঠল ডক ব্লেইন। ঘাড়ের চুল দাঁড়িয়ে গেছে আমার, অনুভব করতে পারছি। বাইরে সব কিছু নিস্তব্ধ। আকাশে তারার মেলা, তার নিচে কালো ছায়া হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ওক গাছের বন। প্রদীপের আলোতে গারফিল্ডের ছায়া পড়েছে পেছনের দেয়ালে, কিম্ভুতকিমাকার লাগছে দেখতে। দুঃস্বপ্নের মতো অদ্ভুত লাগছে তার কথাগুলো।

‘আমি জানতাম, তোমরা বুঝবে না,’ বলল জিম। ‘আমি নিজেও বুঝতে পারি না সব কিছু। যা বুঝতে পারি, যা অনুভব করতে পারি, তার সব কিছু তোমাদের বলার মতো ক্ষমতাও নেই আমার। লিপানদের সাথে অ্যাপাচি ইন্ডিয়ানদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, আর অ্যাপাচিরা অনেক অজানা ব্যাপার শিখেছিল পুয়েবলো ইন্ডিয়ানদের কাছ থেকে। জীবিত হোক আর মৃত – গোস্ট ম্যান তখনও ছিল, এখনও আছে।’

‘সমস্যাটা কার মাথায় বেশি? তোমার, না আমার?’ প্রশ্ন করল ডক ব্লেইন।

কিছু না বলে মুচকি হাসল জিম গারফিল্ড।

হঠাৎ সচকিত হয়ে উঠল ডক। ‘কিসের শব্দ?’

‘ঘোড়ার খুরের শব্দ,’ বললাম আমি। ‘থেমে গেল মনে হচ্ছে।’

দরজার দিকে এগিয়ে গেলাম আমি, বোকার মতো। খেয়ালই নেই যে আলোর বিপরীতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে আমাকে। আবছা একটা ছায়ামুর্তি চোখে পড়ল, মনে হলো ঘোড়ার পিঠে বসে আছে কেউ। তারপরই ডক ব্লেইনের চিৎকারঃ ‘সাবধান!’ পর মুহূর্তে ভারি বস্তার মতো আমার উপর আছড়ে পড়ল সে, হুড়মুড় করে মেঝেতে পড়ে গেলাম দুজন। একই মুহূর্তে কানে তালা ধরিয়ে দিল রাইফেলের গুলির শব্দ। গুঙিয়ে উঠল গারফিল্ড, মাটিতে পড়ে গেল সশব্দে।

‘জ্যাক কারবি!’ চিৎকার করে উঠল ডক ব্লেইন। ‘জিমকে মেরে ফেলেছে শয়তানটা!’

দ্রুত উঠে দাড়ালাম আমি। দেয়াল থেকে নামিয়ে আনলাম জিমের শটগানটা, তারপর ছুটে গেলাম বারান্দায়। ঘোড়ার খুরের আওয়াজ কানে এল, দূরে সরে যাচ্ছে দ্রুত। সেই ছায়ামূর্তির দিকে বন্দুক তাক করে খালি করলাম দুটো নলই। দূরত্ব বেড়ে গেছে, আর শটগান কেবল কাছাকাছি দূরত্বেই প্রাণঘাতি হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু ছররাগুলোর কয়েকটা গিয়ে বিধল ঘোড়াটার পাছায়, পাগল হয়ে উঠল প্রাণীটা। দুই পায়ে লাফিয়ে উঠতে দেখলাম ওটাকে আবছা অন্ধকারে। মাটিতে পড়ে গেল ঘোড়ার আরোহী, আর নড়ল না। এক দৌড়ে চলে এলাম সেখানে।

ঘাড় ভেঙে গেছে জ্যাক কারবির।

তাকে সেখানেই ফেলে রেখে দৌড়ে ফিরে এলাম গারফিল্ডের ঘরে। একটা বেঞ্চির উপর বুড়োকে তুলে শুইয়ে দিয়েছে ডক ব্লেইন। কাগজের মতো ফ্যাকাসে হয়ে গেছে তার মুখ। তাকানো যাচ্ছে না বুড়ো গারফিল্ডের দিকে; পয়েন্ট ফোর ফাইভ-সেভেন জিরো রাইফেলের ভারি বুলেটের আঘাতে মাথার উপরের উপরের অংশটা পুরোপুরি উড়ে গেছে তার। রক্ত আর মগজে মাখামাখি মুখ। আমার ঠিক পেছনেই ছিল হতভাগ্য লোকটা। ডক ব্লেইন ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে না দিলে ওই বুলেটটা আমার মাথাতেই ঢুকত।

কাঁপছে ডক, যদিও কারণটা বুঝলাম না। এসব দৃশ্য তো তার কাছে নতুন নয়।

‘কি মনে হয়? মরে গেছে?’ আমাকে প্রশ্ন করল সে।

‘সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তোমার,’ বললাম আমি। ‘তবে এই অবস্থায় কোনো মানুষ বেঁচে থাকতে পারে বলে শুনিনি।’

‘মরে গেছে ঠিক,’ অদ্ভুত ক্লান্ত এক গলায় বলল ডক। ‘শক্ত হয়ে গেছে শরীর। কিন্তু হৃৎপিণ্ডের উপর হাত রেখে দেখো?’

তাই করলাম আমি, এবং চিৎকার করে উঠলাম। ঠাণ্ডা হয়ে আসছে বুড়োর শরীর, কিন্তু পাজরের নিচে সেই রহস্যময় স্পন্দন এখনও বিদ্যমান! ধমনী দিয়ে আর বইছে না রক্তের স্রোত; তা সত্ত্বেও হৃৎপিণ্ডটা চলছে তো চলছেই, যেন মহাকাল বয়ে চলেছে ওখানে।

‘মৃত শরীরের মধ্যে জীবিত বস্তু,’ ফিসফিসিয়ে বলে উঠল ডক ব্লেইন। বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে তার মুখে। ‘প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে। কথা দিয়েছিলাম ওকে, সেটা রাখতে হবে। তুমি কিছু ভেবো না, সব দায়িত্ব আমার। এটা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না!’

একটা মাংস কাটার ছুরি আর একটা করাত – এই সম্বল করে কাজে লেগে পড়লাম আমরা। তেলের প্রদীপটা মিটমিট করে জ্বলছে, তার আলোতে অদ্ভুত সব ছায়ারা ঘুরে বেড়াচ্ছে ঘরের দেয়ালে। মেঝেতে ছড়িয়ে আছে রক্ত – চকচক করছে কেমন যেন। বাইরে একটা প্যাঁচা ডেকে উঠল।

গারফিল্ডের বুকে তৈরি হওয়া গর্তে একটা হাত ঢুকিয়ে দিল ডক ব্লেইন। কাঁপা কাঁপা লালচে আলোতে দেখতে পেলাম, একটা লাল রঙের বস্তু বের করে আনল সে ভেতর থেকে, ক্ষণে ক্ষণে স্পন্দিত হচ্ছে সেটা। চমকে উঠল ডক, তার হাত ফসকে টেবিলে পড়ে গেল জিনিসটা। এবার আমিও চমকে উঠলাম, কারণ টেবিলের সাথে বস্তুটার সংঘর্ষের ফলে যে শব্দটা হলো সেটা নরম কোনো জিনিস পড়লে হয় না। মনে হলো যেন একটা পাথর ফেলল কেউ টেবিলের উপর।

একটা অদম্য আকাঙ্খার বশবর্তী হয়ে গারফিল্ড বুড়োর হৃৎপিণ্ডটা হাতে তুলে নিলাম আমি। মনে হলো এক তাল লোহা, বা পাথর তুলে নিয়েছি হাতে। কিন্তু জিনিসটা তার চাইতে অনেক মসৃণ। আকার আকৃতিতে ঠিক মানুষের হৃৎপিণ্ডের মতোই। কিন্তু মসৃণ, পিচ্ছিল; প্রদীপের আলোতে যেন চুনী পাথরের মতো চমকাচ্ছে। আমার হাতের তালুতে প্রচণ্ড শক্তিতে স্পন্দিত হচ্ছে জিনিসটা, শক্তির ঢেউ পাঠাচ্ছে আমার হাত বেয়ে বুকের মধ্যিখান পর্যন্ত। এই শক্তি আমার পরিচিত কোনো শক্তি নয়, আমার বোধের অগম্য এর প্রকৃতি। অজানা পৃথিবীতে জন্ম নেয়া এই শক্তিকে মানুষের হৃৎপিণ্ডের আকৃতিতে রূপ দিয়েছে কেউ।  

হঠাৎ করেই চিন্তাটা এল মাথায়। নশ্বর মানব দেহের জন্য অমরত্বের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত পথ এই হৃৎপিণ্ড। মানুষের কল্পনার অমৃতের সাথেই কেবল এর তুলনা চলতে পারে। আমাকে তীব্র শক্তিতে আকর্ষণ করতে লাগল যেন জিনিসটা, ওটাকে আমার নিজের হৃৎপিণ্ডের জায়গায় বসানোর জন্য অবাধ্য স্পৃহা জেগে উঠল মনে।

ডক ব্লেইনের কণ্ঠ থেকে অস্ফুট একটা আওয়াজ বেরিয়ে এল হঠাৎ। সাথে সাথে ঘুরে তাকালাম আমি।

শস্যক্ষেতের মধ্য দিয়ে মৃদুমন্দ বাতাস বয়ে যাওয়ার সময় যতটুকু শব্দ হয়, তার চাইতেও নিঃশব্দে উপস্থিত হয়েছে সে। দীর্ঘদেহী, তামাটে ত্বক, পাথরের মতো নিস্পৃহ মুখ – একজন ইন্ডিয়ান যোদ্ধা। মুখে রঙিন নকশা, মাথায় যুদ্ধের সাজ। প্রাচীন যুগের ইন্ডিয়ান পোশাক তার গায়ে, পায়ে মোকাসিন। নিঃশব্দে হাত বাড়িয়ে দিল সে। যন্ত্রচালিতের মতো জিম গারফিল্ডের হৃৎপিণ্ডটা তার হাতে তুলে দিলাম আমি।

যেমন নীরবে এসেছিল, তেমনিভাবে একটা কথাও না বলে ঘুরে দাঁড়াল যোদ্ধা, দীর্ঘ পা ফেলে হারিয়ে গেল রাতের অন্ধকারে। এক মুহূর্ত পরেই হুঁশ ফিরে পেলাম আমি আর ডক ব্লেইন। এক দৌড়ে চলে এলাম বারান্দায়। কিন্তু কোথাও তার কোনো চিহ্ন নেই। অশরীরির মতোই রাতের বুকে এক টুকরো অন্ধকার হয়ে মিলিয়ে গেছে সে। সদ্য চাঁদ উঠেছে আকাশে। সেই চাঁদের দিকে শুধু উড়ে যেতে দেখা গেল একটা প্যাঁচাকে।

(সমাপ্ত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *